সমাজের চিত্র
শতবর্ষ আগে আইনস্টাইন বলেছিল আলো সবচেয়ে আগে ছোটে অর্থাৎ উনি ওনার বাহন অথবা গুরুদেব আলো নামক ভগবান কে সবার চেয়ে আগে বসালেন, কিন্তু কই কেউ তো রাত জেগে মাথা খাটিয়ে কলম চালিয়ে কোনও গাণিতিক সূত্র প্রকাশ করে বললনা মানুষ সবচেয়ে ভয়ঙ্কর প্রাণী , তার জিভ সবচেয়ে বেশি লিকলিকে। তার চোখ সবচেয়ে ক্ষুধার্ত. হিংসায় কামনায় বাসনায় অহংকারে সে তার পাশবত্তাকে খুন করেছে যুগ যুগ ধরে।
এ এক ভারী অদ্ভুত পৃথিবীর গল্প. সাপ মাকড়সা খায়, ময়ূর খায় সাপ, বাঘ খায় ময়ূর, আর মানুষ মানুষকে। রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয় স্থান অর্থ ক্ষমতা নিয়ে। কিন্তু এখন তো আর রাজা নেই। সব তো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হয়েছে। আর তাতেই যত বিঘ্ন। যুদ্ধ শুরু হলো সবক্ষেতে। পুরুষ হলো তিন ভাগ, নারী হলো দুই। একদল পুরুষ গেল সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে, কেউ জেহাদি কেউ মৌলবাদী কেউ সন্ত্রাস। এদের দায়িত্ব সামনে যাকে পাবে গুলি করে ছিন্ন ভিন্ন করে দাও। আরেকদল পুরুষ ভাবলেন না, আমরা মারবনা আমরা খাব, লুট করব , আর যুদ্ধ লাগলে নারীর শরীরে আমিও এঁকে দেব আমার কঠোর ভালোবাসার নমুনা. তাই হলো। যুদ্ধকালীন সন্তান হলো খুব। কিন্তু তাতেই শেষ নয়। সমাজে নতুন রোগ সৃষ্টি করলো তারা, নাম হলো "ধর্ষণ"। কিন্ত তাও গেল পরিণত নারীদের কথা, যারা অপরিণত তারাও এই কঠোর ভালোবাসার হাত থেকে রক্ষা পেলোনা। শিশু পাচার , শিশুর ওপর যৌন ভালোবাসা (অত্যাচার বললে বড় ভুল হবে, "দুস্টুমি" বলা যেতে পারে) আরো কত কি। বাকি দল টা এই দুইয়ের প্রতিবাদ করে, আর লজ্জাও পায় কিন্তু করার তো কিছু নেই, হয়তো চিরকাল এটাই ঘটবে আর তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করবে নব প্রজন্মের সেই "দুস্টু" ছেলেরা যারা দুস্টুমির সুযোগের অপেক্ষায় বসে আছে। এখনো একটা অধ্যায় রইলো বাকি, সেটা থাক পরেই লিখব।
Comments
Post a Comment