হরিদাসী বোষ্টমী
আজও সন্ধ্যার শেষে খালি বিছানা
আমি শোবো পাশে মোর কেউ শোবেনা
তুই ছাড়া এই দেহ কেউ ছোবেনা
আহা মাদল মাতাল মাদল বাজছে তোরই জন্যে লোক
খুশির হাওয়া পাগলা হাওয়া গান দিলোরে কোন যে লোক
আয় কাছে আয় মন্দে লোক
চোখ কেন তোর কাপছে মেয়ে
বুক কেন তোর দুলছে
লাল দুখানি লালচে শরীর সাপের মতই ফুলছে
তাকে মারবি ছোবলও
কোন ছেলে তোর কী করল?
মাদল ভেবে কেউ কী তোকে আজকে বাজাল
ফুল দিয়ে নয় ভাত ছড়িয়ে বিকেল সাজাল
কেমন দিবি সাজারে?
আর যাবিনে ওই পাহাড়ে
তখন ছিলাম মধুলতা
চেনার খ্যাতিরে হরিদাসী বোষ্টমি
ঝড়জল রাতে খুজে পাইনি ছত্রবাঁট
চুল থেকে নখ ভেজা কাপড়জামায়
রইলাম দাঁড়িয়ে সেই যে গাছের তলায়
কিছুক্ষণের মধ্যে কিছু হিংস্র নেকড়ে
কারুর জিভ লিকলিকে কেউ বা গজদাত
আট মিনিটে আট জোড়া
শরীরের নরম গরম তাজা মাংসপিন্ডকে কামড়ে ছিড়ে অন্তিম রক্তিম পর্ব
ভিজে চুল ভিজে নখ আর তার মাঝে সব
রক্ষণাত্মক সৌন্দর্যের বর্তমান শব
তারপরের আটমাসে আটমিনিটের আটটা কথার ও দাম পাইনি
মাথায় ঘোমটা টেনে ফিচেল হাসি হাসল VICTORIAN MORALITY
জল্লাদের উল্লাস মঞ্চে DISCO নাচল জারজ সন্তানেরা
আর লাল মাটির দেশে দ্রৌপদী সারাদিন পাথর ভাঙ্গে
আর উলগুলানের গান গায়
(কয়েকজন বিশিষ্ট কবির বিভিন্ন কবিতাকে একটু বদল করে মিলিয়ে দিয়ে কবিতা টা লিখেছি)
Comments
Post a Comment